Sunday, January 1, 2017

Screening tests and scans: week 0–14 গর্ভকালীন স্ক্রিনিং টেষ্ট এবং স্ক্যানিং ০ থেকে ১৪ সপ্তাহ


গর্ভকালীন সময় আপনার স্ক্রিনিং টেষ্ট করার প্রস্তাব আপনার দায় বা আপনার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বলবেন এবং করতে হবে কিনা সেটাও তারা বলবেন কারন আপনার চিকিৎসক আপনার বিষয়টি ভাল বুঝেন




Screening is your decision – your midwife (or specialist doctor) will give you information and support to help you to decide whether to have screening or not. Talk to them about what’s right for you and your baby.
১-গর্ভকালীন রক্ত পরীক্ষা
২-এইডস্ স্ক্রিনিং
৩-ডাইবেটিস স্ক্রিনিং
৪-ডাউন সিনড্রম বা অন্যান্য শারীরিক অবস্হা
৫-অন্যান্য দরকারি পরীক্ষা ও স্ক্রিনিং টেষ্ট প্রয়জন অনুযায়ি আপনার চিকিৎসক করবেন 



Screening tests can tell you whether you or your baby are more likely to have a medical condition. Some medical conditions can make you and your baby very sick and others can affect how your baby grows and learns. If screening shows that you or your baby may have a condition, you will be offered further tests that will let you know for certain.

এ টেষ্টের মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন আপনি এবং আপনার বাচ্চার শারীরিক অবস্হা কেমন আছে এবং সে সাথে ।  আপনি বা আপনার বাচ্চা দুর্বল কিনা এবং এর জন্যে আপনার বাচ্চার বেরে  উঠা ও আচরণগত শিক্ষা গ্রহন  করতে পারছে কিনা যদি এ সমস্তের বিপরীত হয় তাহলে তাহলে স্ক্রিন টেষ্টের ফল অনুযায়ি বুঝতে হবে বিষয়টি একটি নেগেটিভ পর্যায়ে আছে এমনটি হলে আপনাকে পুনরায় স্ক্রিনিং টেষ্ট করাতে হবে কারন অনুসন্ধান ও প্রতিকারের জন্য।

First antenatal blood test

প্রসব পুর্বকালীন সময়ে 
  • your blood group and rhesus factor (if you are rhesus negative, ask your midwife [or specialist doctor] to explain what this means)
  • your haemoglobin (the amount of iron in your blood)
  • if there are any antibodies that may be harmful to your baby
  • if you are immune to rubella
  • if you are a hepatitis B carrier
  • if you have syphilis
  • if you have HIV (see below)
  • if you have diabetes or are at risk of developing diabetes (see below).
  • রক্ত পরীক্ষা যে সমস্ত কারনে করতে হয় সেগুলি নিম্নরূপ :
  • হিমোগোলোবিন,এ্যান্টিবডিস,রুবেলা,হেপাটাইটিস বি,সিফিলিস্,এইচআইভি,বিদ্যমান ডায়বেটিস বা ডায়বেটিসের সম্ভাব্যতা।
For more information, see the Antenatal blood test fact sheet on the National Screening Unit website.

Helpful Link Below

HIV testing

Diabetes testing


Screening for Down syndrome and other conditions

Other tests

Guided by your midwife or your specialist 

Saturday, December 24, 2016

সি পি আর কি ? ০-১২ মাস ও ১-১২ বছরের বয়সী শিশুদের জন্য সি পি আর প্রয়োগের নিয়ম


সিপিআর কি? 
কোনো কারণে যখন হৃৎপিণ্ড এবং ফুসফুসের স্বাভাবিক কার্যকলাপ বন্ধ হয়ে যায়, তখন সাময়িকভাবে হূৎপিণ্ড ও ফুসফুসের কাজ কিছু সময় চালিয়ে মস্তিষ্কে রক্ত এবং অক্সিজেন সরবরাহ করাকে বলে ‘কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন’ (Cardio pulmonary resuscitation) বা সিপিআর। অন্যভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে গেলে কৃত্রিম ভাবে হূৎপিণ্ড এবং ফুসফুসের স্বাভাবিক কার্যকলাপ চালু রাখাকে সিপিআর বলে।
সিপিআর মূলত তিন পদ্ধতিতে করা হয়ে থাকেঃ
  • মুখ থেকে মুখে
  • মুখ থেকে নাকে।
  • মুখ থেকে নাকে ও মুখে।

সিপিআর করার পূর্বে বা ঐ সময় দ্রুত যে ব্যাপারগুলোর প্রতি মনোযোগ দেওয়া উচিৎ সেগুলো হল -
  • রোগীর জ্ঞান আছে কিনা।
  • জ্ঞান না থাকলে তার শ্বাসনালী খুলে দিতে হবে।
  • এরপর  Feel, Look ও Listen এর মাধ্যমে রোগীকে ভাল করে পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
  • রোগীর জ্ঞান থাকলে তাকে রিকভারি পজিশনে শুইয়ে দিতে হবে।
  • জ্ঞান না থাকলে সিপিআর প্রয়োগ করতে হবে।
  • রোগীর বয়স বেশি হলে বুকে বেশি চাপ দেওয়া যাবে না।












শিশুর শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে গেলে প্রথমেই অন্ততপক্ষে ৫ বার কৃত্রিম উপায়ে শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যবস্থা করতে হবে। শিশুর বুকের মাঝখানে দুই আঙ্গুল রেখে মিনিটে অন্তত ১০০-১২০ গতিতে ৩০ বার চাপ দিতে হবে এবং এর গভীরতা হবে .৫-১ ইঞ্চি। এভাবে হাসপাতালে না যাওয়া বা জ্ঞান না ফেরা পর্যন্ত চালিয়ে যতে হবে।




১-১২ বছরের শিশুদের জন্য সি পি আর প্রয়োগের নিয়ম


প্রথমেই শিশুর সাথে কথা বলে বা কাঁধে ও পায়ের পাতায় সামান্য চাপড় দেওয়ার মাধ্যমে সে সাড়া দিচ্ছে কিনা তা দেখতে হবে। যদি সাড়া দেয় তবে সে যে অবস্থায় ছিল সে অবস্থাতেই রেখে পর্যবেক্ষণ করে প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে হবে।
কিন্তু যদি শিশু সাড়া না দেয় তবে তার মাথা পেছন দিকে টেনে ধরে থুতনি উপরের দিকে তুলে ধরে শ্বাস-প্রশ্বাস পরীক্ষা করতে হবে। এবারে যদি সে সাড়া দেয় তবে তাকে রিকভারি পজিশনে রেখে পর্যবেক্ষণ করে প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে হবে এবং প্রয়োজনে তাকে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে।

এরপরেও যদি শিশু সাড়া না দেয় তবে তার মুখের ভিতরে কোন কিছু থাকলে পরিষ্কার করতে হবে এবং কৃত্রিম উপায়ে শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যবস্থা করতে হবে। নিঃশ্বাস নিতে শুরু করলে শিশুকে রিকভারি পজিশনে রাখতে হবে।
যদি এরপরেও কোন শিশু সাড়া না দেয় তবে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে এবং ডি-ফাইব্রিলেটর ব্যবস্থা নিতে হবে। তবে ১ বছরের কম বয়সের শিশুদের জন্য ডি-ফাইব্রিলেটর ব্যবহার করা নিষেধ। সিপিআর প্রয়োগ করতে হবে।বুকে ৩০ বার
চাপদিতে হবে।
  • অন্ততপক্ষে ২ বার কৃত্রিম উপায়ে শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যবস্থা করতে হবে।
  • যতক্ষণ পর্যন্ত শ্বাস-প্রশ্বাস চালু না হয় ততক্ষণ বুকে চাপ ও কৃত্রিম উপায়ে শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যবস্থা করতে হবে।
বুকে চাপ দেওয়ার নিয়মসমূহঃ
ব্যক্তির বুক বরাবর বসে এক হাতের তালুর হিল বুকের মাঝ বরাবর বসিয়ে তার উপর সবল হাত বসিয়ে আঙ্গুলের মাধ্যমে আটকে দিতে হবে। এসময় হাত সোজা রেখে কাঁধ থেকে চাপ প্রয়োগ করতে হবে। নিচের দিকে খাড়াভাবে চাপ দিয়ে বুকের পাঁজর ১-১.৫ ইঞ্চি নিচে নামাতে হবে যাতে হৃৎপিণ্ডের উপর চাপ পড়ে। মিনিটে অন্তত ১০০-১২০ গতিতে ৩০ বার চাপ দিতে হবে এবং অন্ততপক্ষে ২ বার কৃত্রিম উপায়ে শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যবস্থা করতে হবে। হাসপাতালে না পৌঁছানো পর্যন্ত বা জ্ঞান ফেরা না পর্যন্ত এইভাবে চালিয়ে যেতে হবে।

Sunday, December 4, 2016

Sweet Potatoes For Vaginal Health

#SweetPotatoes:

Foods that improve Vaginal Health
midnightinfo.com
Sweet potatoes are also best foods for a healthy vagina and uterine walls. It contain beta carotene, which is converted into vitamin A, a potent antioxidant.  This potent antioxidant protects against free radical damage and also allows the cells of the reproductive tract to function well to keep your vaginal walls moist and healthy.