Saturday, April 18, 2020

ঢাকা বিভাগীয় হাসপাতালের তালিকা, ঠিকানা ও যোগাযোগ মাধ্যম

হাসপাতাল তালিকা:

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঠিকানা ও যোগাযোগঃ
বকশী বাজার, ১০০ রমনা, ঢাকা-১০০০।
ফোনঃ ৮৬২৬৮১২-১৯, ৮৬২৬৮২৩, ৯৬৬৯৩৪০, ৯৫০৫০২৫-২৯, ৯৫০০১২১-৫।
ফ্যাক্স: ৮৬১৫৯১৯।
ই-মেইল: info@dmc.edu.bd,
dmc_principal@yahoo.com
ওয়েব: www.dmc.edu.bd

ঢাকা মহানগর জেনারেল হাসপাতাল
ঠিকানা ও যোগাযোগঃ
নয়াবাজার ব্রীজ সংলগ্ন স্থানে অবস্থিত।
নওয়াব ইউসুফ রোড, নয়াবাজার, ঢাকা-১১০০।
ফোন- ৭৩৯০৮৬০।শহীদ সোহরাওয়াদী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঠিকানা ও যোগাযোগঃ
ঢাকার শেরে-ই-বাংলা নগরে জাতীয় হৃদরোগ ইনষ্টিটিউট এর পাশে অবস্থিত ।
যোগাযোগ নম্বর- ৯১৩০৮০০-১৯।

বারডেম জেনারেল হাসপাতাল
ঠিকানা ও যোগাযোগঃ
শাহবাগের চৌরাস্তার পূর্ব উত্তর কোনে এবং জাতীয় সম্প্রচার কর্তৃপক্ষ ভবনের বরাবর দক্ষিনে অবস্থিত।
টেলিফোন- ৮৬১৬৬৪১
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল
(BSMMU)ঠিকানা ও যোগাযোগঃ
শাহবাগ মোড়ে জাতীয় জাদুঘরের উত্তরে এর অবস্থান।
যোগাযোগ: 9661051-56, 9661058-60
ই-মেইল: info@bsmmu.org
ওয়েবসাইট: www.bsmmu.org

ঢাকা শিশু হাসপাতাল
ঠিকানা ও যোগাযোগঃ
শ্যামলী বাস স্ট্যান্ডের ২০ – ৩০ গজ পূর্ব দিকে শিশুমেলার পূর্বে এবং জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পূনর্বাসন কেন্দ্রের পশ্চিম পাশে এটি অবস্থিত।
যোগাযোগ: ৮১১৬০৬১-৬২, ৮১১৪৫৭১-৭২।

মা ও শিশু স্বাস্থ্য সংক্রান্ত যাবতীয় সমাধান ও তথ্য পেতে আমাদের সঙ্গে ফেসবুকে যুক্ত হোন:




মা ও শিশু স্বাস্হ্য

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল
ঠিকানা ও যোগাযোগঃ
সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের ৫০ গজ উত্তর দিকে মিরপুর রোডের পূর্ব পাশে অবস্থিত।
শেরেবাংলা নগর, ঢাকা- ১২০৭
ফোন- ০২- ৯১২২৫৬০
ফ্যাক্স- ৮৮-০২- ৮১৪২৯৮৬

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল
ঠিকানা ও যোগাযোগঃ
শেরে বাংলা নগর, ঢাকা।জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল
ঠিকানা ও যোগাযোগঃ
মিরপুর রোডের শ্যামলীতে অবস্থিত শিশু মেলার পূর্ব-উত্তর কোণে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল এর অবস্থান।
শেরেবাংলা নগর, ঢাকা- ১২১৭
ফোন- ০২- ৯১১৮৩৩৬, ৮১১৪৮০৭
ফ্যাক্স- ৮৮-০২- ৮১১৭২০২

জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল
ঠিকানা ও যোগাযোগঃ
মহাখালীতে অবস্থিত জাতীয় বক্ষব্যাধি হাসপাতালের ৫০ গজ উত্তরে জাতীয় ক্যান্সার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের অবস্থান।
মহাখালী, ঢাকা- ১২১২
ফোন: ৯৮৮০০৭৮ জাতীয় কিডনী ইনষ্টিটিউট এবং হাসপাতাল
ঠিকানা ও যোগাযোগঃ
জাতীয় হৃদরোগ ইনষ্টিটিউট ও হাসপাতালের ১০০ গজ উত্তরে হাতের ডান পাশে এবং জাতীয় মানসিক ইনষ্টিটিউট হাসপাতালের দক্ষিন পাশে।
শেরে বাংলা নগর, ঢাকা।
ফোন: ৯১৩৬৫৫৬০-৩।

জাতীয় পঙ্গু হাসপাতাল
ঠিকানা ও যোগাযোগঃ
শ্যামলীতে অবস্থিত শিশু মেলার পূর্বে জাতীয় শিশু হাসপাতালের সাথেই অবস্থিত।
শেরে বাংলানগর, ঢাকা- ১২০৭
ফোন: ৯১৪৪১৯০-৪, ৯১১২১৫০
মোবাইল: ০১৮৪১-২২২২২৪
ই-মেইল: nitortz@yahoo.com

কিডনী ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ
ঠিকানা ও যোগাযোগঃ
প্লট ৫/২, সড়ক ০১, সেকশন ০২
মিরপুর, ঢাকা-১২১৬।
ফোন: +৮৮-০২-৮০৫৫৮২৭, +৮৮-০২-৮০৫৩৭৮৬
ইমেইল: rashid@bol-online.com

আইসিডিডিআরবি (ICDDRB)
ঠিকানা ও যোগাযোগঃ
মহাখালি কাঁচা বাজার থেকে মহাখালি আন্ত:জেলা বাস টার্মিনালের দিকে ২০০ গজ সামনে হাতের বাম দিকে আইসিডিআরবি অবস্থিত।
ফোন: ৮৮০৬৫২৩-৩২।
ফ্যাক্স: ৮৮-০২-৮৮১৯১৩৩, ৮৮২৩১১৬
জরুরী বিভাগের নম্বর – ৯৮৯৯০৬৭।
ওয়েব সাইট: www.icddrb.org

সরকারী ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
ঠিকানা ও যোগাযোগঃ
মিরপুর ১০ নম্বর গোল চক্কর থেকে সোজা দক্ষিনে প্রায় ৩০০ গজ রাস্তা পেরিয়ে হাতের বামে এসওএস হারমাইন কলেজের পার্শ্বে কলেজটি অবস্থিত।
মিরপুর ১৩, কাফরুল, ঢাকা।
ফোন: ৮০১২০৪৮।
#হাসপাতালতালিকা

Friday, April 17, 2020

নবজাতক ও শিশু স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশ্ন উত্তর

প্রশ্ন : নবজাতকের পরিচর্যা প্রত্যেক মায়ের জানা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। বিশেষ করে যাঁরা নতুন মা হয়েছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে। নবজাতকের পরিচর্যার ক্ষেত্রে কোন কোন বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত?
উত্তর : প্রথমেই যে প্রসঙ্গটি আসে, একটি বাচ্চা প্রসবের পর মায়ের খুব চিন্তা হয় বাচ্চা কী খাবে? খাওয়ার বিষয়টি প্রথমে বলতে চাই। প্রথমেই মায়ের শাল দুধ বাচ্চাকে খাওয়াতে হবে। বাচ্চাকে ঘন ঘন দুধ খাওয়ালে খুব দ্রুত মায়ের দুধের উৎপাদন বাড়বে। ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মায়ের বুকের দুধ তেমনভাবে উৎপাদন হয় না। দুধ সেভাবে আসে না। তখনই আমাদের দেশে যে বিষয়টি হয়, বাইরের দুধ খাইয়ে দেওয়া হয়। সে জন্য যেটা প্রয়োজন, সঠিক নিয়মে বারবার মায়ের দুধ যদি টানানো যায়, তাহলে দুধ আসবে।
প্রশ্ন : শাল দুধে প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম; সেটি সবাই জানি। এই শাল দুধ কখন আসবে এবং দেখে কীভাবে বোঝা যাবে এটি শাল দুধ?
উত্তর : শাল দুধ একটু হলুদ রঙের থাকবে, ঘন হবে। সেটিই প্রথম খাওয়াতে হবে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শাল দুধ আসতে থাকবে। পরে দেখা যাবে সাদা দুধটি চলে আসছে।
প্রশ্ন : নবজাতকের জন্য মায়ের বুকের দুধ প্রধান খাবার। তবে কখনো কখনো দেখা যায় তাকে হয়তো পানি বা বাড়তি কিছু দেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে কিছু বলুন?
উত্তর : ছয় মাস পর্যন্ত মায়ের দুধ খাওয়াতে হবে। শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি মায়ের সঙ্গে শিশুর যে বন্ধন রয়েছে, এটিও ভালো হবে। এ ছাড়া জীবাণু থেকে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা শিশু মায়ের বুকের দুধের মাধ্যমে পেয়ে থাকে।
প্রশ্ন : নবজাতকের প্রস্রাব-পায়খানার বিষয়টি নিয়ে মা-বাবারা খুব বেশি উদ্বিগ্ন থাকেন। অনেক সময় দেখা যায়, শিশুটি হয়তো ঘনঘন পায়খানা করছে। আসলে একটি নবজাতক বা একটি বাচ্চার কী রকম হারে প্রস্রাব-পায়খানা হওয়া উচিত?
উত্তর : যতবারই শিশু বুকের দুধ খাবে, ততবারই প্রস্রাব করবে। জন্মের ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যেহেতু কম দুধ পেয়ে থাকে, সেহেতু কম প্রস্রাব করতে পারে। এটি নিয়ে চিন্তা করার কিছু নেই। শিশু জন্মের পাঁচ দিন পর থেকে শিশু ১০ থেকে ১২ বার প্রস্রাব করে থাকে। পায়খানার বিষয়টিও তাই। ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যে পায়খানাটি হয়, সেটির রং কালো থাকে। একে সাধারণত মিকোনিয়াম বলে থাকি। এই মিকোনিয়াম সাধারণত দুই দিন পর থেকে হলুদাভ হয়। একেকটি শিশুর ক্ষেত্রে একেক রকম বিষয় থাকে। দেখা যায়, কোনো কোনো শিশুর ক্ষেত্রে, মায়ের দুধ যারা খায়, একবার দুধ খেল, একটু পায়খানা করল। একে সাধারণত গ্যাসট্রোকলিক রিফ্লেক্স বলি। এটি খুব স্বাভাবিক। অনেক মা খুব চিন্তিত থাকেন বিষয়টি নিয়ে। ভাবেন, সম্ভবত শিশুর ডায়রিয়া হয়ে গেছে। বিশেষ করে এক মাস বয়সে যখন এগুলো হয়।
প্রশ্ন : অনেক সময় দেখা যায় নবজাতকের গোসলের বিষয়টি নিয়ে অনেকে খুবই উদ্বিগ্ন থাকেন, আসলে কখন গোসল করানো উচিত এবং কীভাবে করাতে হবে?
উত্তর : আসলে নাভিটি পড়তে সাধারণত ৭ থেকে ১৪ দিন সময় লাগে। বলা হয়, নাভিটা শুষ্ক রাখাই ভালো। তখন গোসল না করিয়ে গা মুছিয়ে দিতে হবে। আমরা বলি, কুসুম গরম পানিতে তোয়ালে ভিজিয়ে সারা শরীর মুছিয়ে দেবেন। নাভির অংশটি যেন শুষ্ক থাকে, সেদিকে খেয়াল করতে হবে।
প্রশ্ন : আমরা আগে দেখতাম, মা-খালারা গোসলের পর সরিষার তেল গায়ে মেখে রোদে দিয়ে রাখতেন। শিশুকে সরিষার তেল বারবার দেওয়া খুব কি যৌক্তিক?
উত্তর : আসলে সরিষার তেল দিতে আমরা নিষেধ করি। কারণ, এটি খুব পুরু থাকে। এর জন্য র‍্যাশ হয়। বাচ্চার শরীর ময়লা হয়ে যায়। সংক্রমণ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। সরিষার তেলের ঝাঁজ বেশি। আমরা সাধারণত বলি, সরিষার তেল না দেওয়াই ভালো। যদি বেবি অয়েল দিই বা অলিভ অয়েল দিই, সেটা দেওয়া যাবে। তবে সেটাও দেড় মাসের পরে।
প্রশ্ন : একটা জিনিস আমরা দেখি, শিশুটির জন্মের পর খুব দ্রুত নানি-দাদিরা সাবান দিয়ে মেজে তার গোসল দিচ্ছে, সেটি আসলে কতটা গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর : আসলে মায়ের শরীরে একটি সুরক্ষা দেওয়ার ফ্লুইড থাকে, যাকে এমনিওটিক ফ্লুইড বলি। এর পর তার ওপর আরেকটি লেয়ার থাকে, যাকে ভারনিক্স ক্যাসোসো বলে। সেটা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। জন্মের ছয়-সাত দিন পর এটি এমনিতেই চলে যাবে।
প্রশ্ন : মধুর মতো মিষ্টি যাতে হয় তার কণ্ঠস্বর, এ জন্য মধু দিয়ে খাবার শুরু করে। এটি কি খুব বেশি জরুরি?
উত্তর : মধু না দিলেই ভালো।
প্রশ্ন : নবজাতকের নাভির পরিচর্যার ক্ষেত্রে কোন কোন বিষয়ে জোর দেওয়া দরকার?
উত্তর : নাভি শুষ্ক রাখতে হবে। নাভি ৭ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে শুকিয়ে পড়ে যাবে। আগে বলা হতো, স্যাভলন বা অ্যান্টিস্যাপটিক এগুলো ব্যবহারের জন্য। তবে এখন বলা হয়, কিছু দেওয়ার প্রয়োজন নেই।